শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কয়রা উপজেলা শাখার ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘ জন্মদিন পালন তথ্য প্রযুক্তির যুগে জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত হোক’ চট্টগ্রাম লোহাগাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, বিভিন্ন অপরাধের ৫ মামলায় ১৬’০০০টাকা জরিমানা সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হয়রানিমুলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে লোহাগাড়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের মানববন্ধন পাইওনিয়ার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬ তম জন্মদিন পালন নগরকান্দায় প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কান্ড – সরকারি বই ঝোপঝাড়ে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন পালন ভৈরবে মুর্শিদ মুজিব উচ্চ বিদ্যালয়ে শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উদযাপন গাইবান্ধার বামনডাঙ্গা আব্দুল হক ডিগ্রি কলেজের অনিযমের অভিযোগ,নিয়োগ বানিজ্যে মেতে উঠেছে অধ্যক্ষ মাদারীপুরে জেলা পর্যায়ে ২০২২ জাতীয় শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকা শিক্ষা পদক পেলেন মোছাঃ রাকিবা সুলতানা
দৈনিক দেশ প্রতিদিন

দৈনিক দেশ প্রতিদিন

 

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে খরায় পুড়ছে মাঠের ধান ক্ষেত উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশংকা

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৫৮ বার দেখেছে

রাসেল কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃ
আষাড় গেলো বৃষ্টিহীনতায়। চলে গেছে শ্রাবনও। বৃষ্টির দেখা মেলেনি ভাদ্র মাসের অর্ধেকেও। তীব্র খরা আর ভ্যাপসা গরমে মানুষের ত্রাহি দশা। তপ্ত রোদে ফেটে চৌচির হচ্ছে আমনের ক্ষেত। বৃষ্টির দেখা মেলেনি বর্ষা ঋতুর আড়াই মাসেও। মাঠের পর মাঠ জুড়ে চলছে সেচযন্ত্র। তারপরও কৃসকের স্বস্তি নেই। সেচ দেওয়া পানিও জমিতে বেশিক্ষণ থাকছে না। এমন পরিস্থিতিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। শুক্রবার ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলার বাবরা গ্রাম এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে নিচু বা বিল এলাকার জমিতেও পানি নেই। পানির অভাবে উচু জমির ধান ক্ষেত ফেটে চৌচির। ধান গাছের গোড়ায় পানি না থাকায় পোকা মকড়ের উপদ্রুপ বেড়ে যাচ্ছে। সেচ আর কীটনাশক খরচ মেটাতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় আমন আবাদ হয়েছে এক লাখ তিন হাজার ১৫৫ হেক্টর জমিতে। আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক লাখ চার হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রার বাকি জমিতে পাট থাকার কারণে আবাদে দেরি হচ্ছে বলে জানায় জেলা কৃষি বিভাগ। ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, পানির অভাবে ফসলের জমিগুলো ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। এতে অনেক জমির ধান মরে যাচ্ছে। অনেক কৃষক ধান বাঁচাতে জমিতে সেচ দিচ্ছেন। আর প্রতিবার সেচ দিতে বিঘাপ্রতি গুনতে হচ্ছে এক হাজার টাকা। গোমরাইল গ্রামের কৃষক মেহেদী হাসান বলেন, পানির অভাবে জমি ফেটে চৌচির। ধান লাগানো প্রায় এক মাস হয়ে গেছে, এখনো কোনো উন্নতি নেই। আর জমিতে দেওয়ার জন্য সার তো পাওয়াই যাচ্ছে না। বাজারে সার আনতে গেলে বলছে সার নেই, আবার বেশি টাকা দিলে সার পাওয়া যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সাত বিঘা জমিতে ধান লাগিয়েছি। এখন সব ধান মরে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে ধানের জমি চাষ দিয়ে অন্য আবাদ করি। বেথুলি গ্রামের কৃষক খাইরুল ইসলাম বলেন, ধান লাগানোর পরে পানির অভাবে সার দিতে পারিনি। ধানের জমি সব ফেটে গেছে। আর বৃষ্টি না হলে সেচ দিয়ে ধানের আবাদ করলে তেমন লাভ হবে না। তারপরও বাধ্য হয়ে আমরা পানি সেচ দিচ্ছি। দীঘারপাড়ার গ্রামের কৃষক ইসমাইল বিশ্বাস জানান, এবছর উৎপাদক খরচ বেশি হবে। ধান চাষ করে দেনা দিতে দিতে কৃষক ফতুর হবে। ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার সিকদার মোহাম্মদ মাহাইমিন আক্তার বলেন, কালীগঞ্জে আমন ধান রোপণ প্রায় শেষ। এবছর আবহাওয়ার পরিবর্তন দৃশ্যমান। আষাঢ়-শ্রাবণ চলে গিয়ে ভাদ্র মাস চলছে, কিন্তু বৃষ্টির দেখা নেই। তিনি বলেন, কৃষকদের জমি ফেটে যাচ্ছে। তারা মেশিন দিয়ে সেচ দিচ্ছে। সেচের সঙ্গে বৃষ্টির খুব প্রয়োজন। বৃষ্টি পেলে ধানের আবাদ ভালো হবে। তারপরও সেচের মাধ্যমে যতটুকু সম্ভব কি ভাবে ধান উৎপাদন এগিয়ে নেওয়া যায়, সে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই রকম আরো সংবাদ
দৈনিক দেশ টিভি

দেশ প্রতিদিন টিভি

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

দৈনিক দেশ প্রতিদিন

দৈনিক দেশ প্রতিদিন

দৈনিক দেশ প্রতিদিন

দৈনিক দেশ প্রতিদিন

দৈনিক দেশ প্রতিদিন

দৈনিক দেশ প্রতিদিন

দৈনিক দেশ প্রতিদিন

দৈনিক দেশ প্রতিদিন